| বঙ্গাব্দ

ইরান সংঘাত: পুতিন ও শি জিনপিংকে ট্রাম্পের ধন্যবাদ | বাংলাদেশ প্রতিদিন

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 18-06-2026 ইং
  • 13830 বার পঠিত
ইরান সংঘাত: পুতিন ও শি জিনপিংকে ট্রাম্পের ধন্যবাদ | বাংলাদেশ প্রতিদিন
ছবির ক্যাপশন: ইরান সংঘাত

ইরান সংঘাত: পুতিন ও শি জিনপিংকে ধন্যবাদ জানালেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে তৈরি হওয়া সাম্প্রতিক সামরিক সংঘাতে চীন ও রাশিয়ার ভূমিকা সম্পূর্ণ 'নিরপেক্ষ' ছিল বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই দায়িত্বশীল অবস্থানের মাধ্যমে পরিস্থিতিকে আরও জটিল ও উত্তপ্ত হওয়া থেকে রক্ষা করার জন্য তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে বিশেষ ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বাঁ শহরে অনুষ্ঠিত জি–৭ শীর্ষ সম্মেলনের সমাপনী সংবাদ সম্মেলনে ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্ব গণমাধ্যমের সামনে এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সামা টিভি (Sama TV) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সংঘাতের সময়ে চীন ও রাশিয়ার ভূমিকা

সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেন, বেইজিং ও মস্কো চাইলে এই সংঘাতকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আরও অনেক বেশি কঠিন ও জটিল করে তুলতে পারত। কিন্তু তারা আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে সংযম দেখিয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে প্রধান কারণগুলো হলো:

  • অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ রাখা: সংঘাত চলাকালীন চীন বা রাশিয়া ইরানকে কোনো বড় ধরনের military equipment বা অস্ত্র পাঠায়নি।

  • কূটনৈতিক জটিলতা এড়ানো: দুই পরাশক্তির শীর্ষ নেতা এমন কোনো পদক্ষেপ নেননি, যা যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক ও সামরিক প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

পুতিন ও শি জিনপিংয়ের প্রশংসা করে ট্রাম্প বলেন, “আমি তাদের ধন্যবাদ জানাতে চাই, কারণ তারা নিরপেক্ষ থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় পরিস্থিতি সামাল দেওয়া আমাদের জন্য অনেকটা সহজ হয়েছে।”

মিত্রদের প্রতি ক্ষোভ ও হরমুজ প্রণালীর উদ্বেগ

চীন ও রাশিয়ার ভূমিকার প্রশংসা করলেও সংবাদ সম্মেলনে নিজের মিত্র দেশগুলোর ওপর ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি অভিযোগ করেন, ইউরোপ ও এশিয়ার কয়েকটি ঐতিহ্যবাহী মিত্র দেশ এই সংকটের সময়ে ওয়াশিংটনকে পর্যাপ্ত কূটনৈতিক বা সামরিক সহায়তা দেয়নি।

একই সাথে তিনি বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের প্রধান রুট হরমুজ প্রণালি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। ট্রাম্প জানান, এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ নিয়ে তৈরি হওয়া উত্তেজনা পুরো বিশ্বের অর্থনৈতিক ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য একটি বড় হুমকি ছিল। তবে সম্প্রতি মার্কিন-ইরান ১৪ দফার সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার পর পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।

বেইজিংয়ের অবস্থান ও কূটনৈতিক সমাধান

ট্রাম্পের এই বক্তব্যের পর ওয়াশিংটনে নিযুক্ত চীনের দূতাবাসের একজন মুখপাত্র বেইজিংয়ের স্থায়ী অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি জানান, চীন কোনো ধরনের যুদ্ধ বা উত্তেজনা বৃদ্ধির পক্ষে নয়।

চীন ও রাশিয়া সবসময়ই যেকোনো আন্তর্জাতিক সংকটে সংঘাত কমানো, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং আলোচনার মাধ্যমে কূটনৈতিক সমাধান নিশ্চিত করার পক্ষে কাজ করে। তবে একই সাথে তারা ইরানের সাথে তাদের নিজস্ব অর্থনৈতিক ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বজায় রাখবে বলেও স্পষ্ট করেছে।

প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ

তথ্যসূত্র: সামা টিভি (Sama TV)

আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency